সমাজসেবা অধিদফতর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৯ এপ্রিল ২০১৫

ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসন ও বিকল্প কর্মসংস্থান ’’ শীর্ষক কর্মসূচি

‘‘ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসন ও বিকল্প কর্মসংস্থান ’’ শীর্ষক কর্মসূচি

বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে দারিদ্র্য দূরীকরণের জন্য দরিদ্র পরিবারের সদস্যদের অর্থনৈতিক কর্মকা-ে সম্পৃক্ত করার উপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এ ছাড়া বর্তমান সরকার ভিক্ষাবৃত্তি নিরসন ও ভিক্ষুকদের পুনর্বাসনের উপর গুরুত্বারোপ করেছে। সরকার অগ্রাধিকারভিত্তিতে ভিক্ষাবৃত্তি নিরসনের উদ্দেশ্যকে বাস্তবায়নের জন্য ‘ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসন এবং বিকল্প কর্মসংস্থান’ শীর্ষক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এ কর্মসূচির উদ্দ্যেশ্য ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিতদের আর্থিক কর্মকা-ে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা ও সামাজিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করা। ২০০৯-১০ অর্থ বছরে ‘ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসন ও বিকল্প কর্মসংস্থান’ শীর্ষক  কর্মসূচি শুরু করা হয়। উক্ত অর্থ বছরে কর্মসূচির অনুকূলে কোন অর্থ বরাদ্দ করা হয়নি। ২০১০-১১ অর্থ বছরে কর্মসূচি খাতে ৬.৩২ কোটি টাকা, ২০১১-১২ অর্থ বছরে ৭.০০ কোটি টাকা এবং ২০১২-১৩ অর্থ বছরে ১০.০০ কোটি টাকা  বরাদ্দ রাখা হয়।  

পাইলট ভিত্তিতে ঢাকা মহানগরে ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের জন্য জরিপের কাজ হাতে নেওয়া হয়। জরিপ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ঢাকা মহানগরীকে ১০টি জোনে ভাগ করে ১০,০০০  ভিক্ষুকের উপর জরিপ পরিচালনার জন্য ১০টি এনজিও নির্বাচন করা হয়। কিন্তু এ সময়ে ঢাকা মহানগরের প্রকাশ্য রাজপথে ভিক্ষাবৃত্তি বন্ধ করার বিষয়ে ডিএমপি কমিশনারকে মহামান্য হাইকোর্টের নির্দেশ থাকায় উক্ত নির্দেশের কারণে ভিক্ষুক জরিপ কাজে কোন আইনগত বাধা হবে কিনা সে বিষয়ে বিজ্ঞ এটর্নি জেনারেল এর মতামত সংগ্রহ করা হয়। পরবর্তীতে গত ৩০/০৯/২০১১ তারিখে নির্বাচিত ১০টি এনজিও এর মাধ্যমে ঢাকা মহানগরের প্রতিটি জোন থেকে ১,০০০ জন করে মোট ১০,০০০ জন ভিক্ষুকের জরিপ সম্পন্ন হয়। জরিপে প্রাপ্ত তথ্য উপাত্তের ভিত্তিতে ১০,০০০ জন ভিক্ষুকের ডাটাবেইজ তৈরি করা হয়েছে। উক্ত ডাটাবেইজের তথ্য ব্যবহার করে ভিক্ষুক পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

কর্মসূচির ব্যাপক প্রচারণার জন্য ইতোমধ্যে পরামর্শক নিয়োগের মাধ্যমে কর্মসূচির প্রচারণা সংক্রান্ত নাটিকা, ডকুমেন্টারি ও শ্লোগান প্রস্তুত করা হয়েছে, যা পত্রিকা, বিটিভি এবং বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে প্রচারের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পাইলট পর্যায়ে জরিপকৃতদের মধ্য থেকে ২,০০০ জনকে পুর্নবাসনের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়। এদের মধ্যে সংখ্যাধিক্য বিবেচনায় ১,০০০ জনকে ময়মনসিংহ জেলায়, ৫০০ জনকে বরিশাল জেলায় এবং ৫০০ জনকে জামালপুর জেলায় পুনর্বাসন করা হবে। গত ২০/১১/২০১২ তারিখে ময়মনসিংহ শহরে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মাননীয় মন্ত্রী, মাননীয় প্রতিমন্ত্রী, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী, সড়ক বিভাগের সংসদীয় কমিটির মাননীয় সভাপতিসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে এ কর্মসূচির ৩৭ জন উপকারভোগীর মধ্যে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদানের পর জীবনধারণের উপকরণ হিসেবে রিক্সা, ভ্যান ও ক্ষুদ্রব্যবসা পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় পুঁজি সরবরাহ করা হয়েছে। খুব শীঘ্রই জামালপুর ও বরিশাল জেলায় এ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে। এ প্রক্রিয়া চলমান থাকবে। এ কর্মসূচি পরিচালনার মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে দেশ হতে ভিক্ষাবৃত্তি নিরসন করা হবে।

 

বাস্তবায়ন নীতিমালা

পটভূমি:

দেশের দুঃস্থ, অবহেলিত, পশ্চাৎপদ এবং অনগ্রসর জনগণের কল্যাণে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের রয়েছে ব্যাপক ও বহুমূখী কার্যক্রম। ১৯৪৩ সালে বেঙ্গল ভেগরেন্সি এ্যাক্ট প্রণয়নের মাধ্যমে উপমহাদেশে ভিক্ষাবৃত্তি তথা ভবঘুরে ধারণাটির উদ্ভবের মাধ্যমে ভবঘুরে- দুঃস্থ কল্যাণমূলক কার্যক্রম শুরু হলেও পরবর্তীতে বিভিন্ন পর্যায়ে ভবঘুরে  প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্র (সরকারি আশ্রয় কেন্দ্র), সরকারী শিশু পরিবার (এতিমখানা : ১৯৪৪), ছোটমণি নিবাস (১৯৬২), কিশোর/কিশোরী উন্নয়ন কেন্দ্র (১৯৭৮), দুঃস্থ শিশু প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্র, মহিলা ও শিশু-কিশোরী হেফাজতীদের নিরাপদ আবাসন কেন্দ্র (সেফ হোম: ২০০৩) এবং সামাজিক প্রতিবন্ধী মেয়েদের প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্র (২০০৩) প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনার মাধ্যমে ভবঘুরে- দুঃস্থ কল্যাণমূলক কার্যক্রমের ব্যাপকতা সুবিসত্মৃত হয়। এ ছাড়া অতি দরিদ্র বয়স্ক, বিধবা, অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা ও প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর একটি অংশকে আর্থিক সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীতে আনা সম্ভব হলেও দেশে অতি দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সংখ্যা কাংখিত পর্যায়ে হ্রাস পায়নি।

দারিদ্র, শারীরিক প্রতিবন্ধিতা, পুষ্টিহীনতা, অশিক্ষা, পারিবারিক ভাংগন, অভিভাবকহীনতা, নদী ভাংগন, জনসংখ্যার আধিক্য, পারিবারিক অবহেলা ও নির্যাতন ইত্যাদির কারণে বিপুল জনগোষ্ঠী তাদের আর্থিক সামর্থ হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত হতে বাধ্য হচ্ছে। ভিক্ষাবৃত্তি ব্যক্তিগত ও জাতিগত মর্যাদা হ্রাস করে। ভিক্ষাবৃত্তির মত অমর্যাদাকর কাজে সম্পৃক্ত হয়ে বিপুল জনগোষ্ঠী অক্ষম জনশক্তিতে পরিণত হচ্ছে, যা জাতীয় অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত শিশু/ব্যক্তিরা একদিকে যেমনি বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়ে তাদের নিজেদের জীবনের বিপন্নতা কিংবা শারীরিক-মানসিক প্রতিবন্ধিতার শিকার হয়, অন্যদিকে তারা বিভিন্ন অসৎ সঙ্গে জড়িয়ে ছোটখাট চুরি, মাদকাসক্ততা, মাদকদ্রব্যের পাচারসহ বিভিন্ন অপরাধে লিপ্ত হয়ে দাগী অপরাধীতে পরিণত হয়ে থাকে। তাই দারিদ্র নিরসনে সরকারের অংগীকার বাস্তবায়ন ও ভিক্ষাবৃত্তির মত অমর্যাদাকর পেশা থেকে নিবৃত্ত করার লক্ষ্যে ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠীর আবাসন, ভরণ পোষণ এবং বিকল্প কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে  ‘‘ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসন ও বিকল্প কর্মসংস্থান কর্মসূচি ’’ নামে সরকারি অর্থায়নে অতি সম্প্রতি সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় একটি কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।

০২. লক্ষ্য:

এ কর্মসূচির প্রত্যক্ষ লক্ষ্য হচ্ছে ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠীকে পুনর্বাসন ও কারিগরী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদেরকে আয়বর্ধক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত করা। পরোক্ষভাবে ভিক্ষুকদের পরিবারকে সহায়তা প্রদান এবং সর্বোপরি সমাজ ও রাষ্ট্রের কল্যাণ সাধন।

 

২.ক. উদ্দেশ্য :

 

  • ঢাকা মহানগরসহ সারাদেশের ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠীকে ভিক্ষাবৃত্তি থেকে নিবৃত্ত করার লক্ষ্যে দ্রুত এবং কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ;
  • ভিক্ষাবৃত্তি পরিত্যাগ সংশ্লিষ্টদের সচেতন করে তোলা। ভিক্ষুকদের আবাসন, ভরণ-পোষণ, স্বাস্থ্যসেবা প্রদান, সুপেয় পানি ও স্যানিটেশন সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে পুনর্বাসন করা;
  • আয়বর্ধক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে ভিক্ষুকদের কারিগরি প্রশিক্ষণ প্রদান;
  • ভিক্ষাবৃত্তির বিরুদ্ধে সাধারণ জনগণের মধ্যে সচেতনতা তৈরী; এবং
  • ভিক্ষুক পুনর্বাসনের মাধ্যমে ঢাকা মহানগরের বসিত্ম সমস্যার আংশিক সমাধান।

 

০৩. বাস্তবায়ন কর্তৃপক্ষ:

 

সমাজসেবা অধিদফতর (সমাজসেবা অধিদফতরের উপ-পরিচালক, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহায়তায়  সমাজসেবা অধিদফতর কর্মসূচিটি বাস্তবায়ন করবে) ।

 

০৪. বাস্তবায়ন কৌশলঃ

 

        ভিক্ষুকদের ক্যাটাগরী অনুযায়ী ভাগ করে নিমেণাক্ত ৪টি পর্যায়ে তাদের পুনর্বাসন কার্যক্রমের কর্ম পরিকল্পনা নেয়া হবে:

(ক) অস্থায়ী পুনর্বাসন পর্যায় (Temporary Rehabilitation Stage);

(খ) সক্ষমতা উন্নয়ন পর্যায় (Skill Development Stage);

(গ) কর্মসংস্থান পর্যায় (Employment Stage); এবং

(ঘ) স্থায়ী পুনর্বাসন পর্যায় (Permanent Rehabilitation Stage)।

 

৪.১ কর্ম পরিকল্পনা:

 

  • স্বল্প মেয়াদি/অস্থায়ী পুনর্বাসন পর্যায়ে সকল ধরণের ভিÿুককে পুনর্বাসন কেন্দ্রে স্থানামত্মর-আবাসন, ভরণ-পোষণ ও স্বাস্থ্য সেবা প্রদান করা হবে।
  • মধ্য মেয়াদি/সক্ষমতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান পর্যায়ে ১২ বছর পর্যমত্ম শিশুদেরকে প্রাথমিক শিক্ষা প্রদান করা হবে।
  • কারিগরি শিক্ষা প্রদান, ক্ষুদ্র ঋণ প্রদান ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ ক্ষেত্রে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর এবং জনশক্তি ও কর্মসংস্থান ব্যুরো  প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে।
  • স্বল্প মেয়াদি/ সক্ষমতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান পর্যায়ে ১২ বছর থেকে ৫০ বছর পর্যমত্ম যোগ্যতা অনুসারে প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ ক্ষেত্রে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর এবং সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে।
  • দীর্ঘ মেয়াদি/স্থায়ী পুনর্বাসন পর্যায়ে ৫০ বছর ও তদুর্ধদেরকে সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে আশ্রয়ণ/আবাসন প্রকল্পে স্থায়ী পুনর্বাসন, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় এনে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। এ ক্ষেত্রে ভূমি মন্ত্রণালয় ও সমাজসেবা অধিদপ্তর  প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে।
  • স্বল্প মেয়াদি/সক্ষমতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান পর্যায়ে সক্ষম প্রতিবন্ধীদেরকে প্রশিক্ষণ, ক্ষুদ্র ঋণ প্রদান ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। এ ক্ষেত্রে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর এবং সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে।
  • দীর্ঘ মেয়াদি/স্থায়ী পুনর্বাসন পর্যায়ে অক্ষমদেরকে পুনর্বাসন করা হবে। এ ক্ষেত্রে সমাজসেবা অধিদপ্তর ও সমাজসেবা অধিদফতর প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে।

 

০৫.বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াঃ

 

৫.ক. ধাপ-১: জরীপঃ

  • সারাদেশে ভিক্ষুক জরীপের কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে। জরীপের মাধ্যমে ভিক্ষুকের প্রকৃত সংখ্যা, লিঙ্গ, বয়স, ঠিকানা নির্ণয়, ভিক্ষাবৃত্তির কারণ, ভিক্ষাবৃত্তির ধরণ এবং তাদের বর্তমান আর্থ-সামাজিক অবস্থা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা হবে।
  • ঢাকা মহানগরকে ১০টি জোনে ভাগ করে ০১ (এক) দিনে জরীপ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।
  • ঢাকা মহানগর ব্যতিত ৭টি বিভাগীয় শহরকে আঞ্চলিক কেন্দ্রে ভাগ করে ১০ (দশ) দিনে জরীপ কাজ সম্পন্ন করা হবে।
  • জরীপ কার্যক্রম তদারকীতে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর মাঠ পর্যায়ের কার্যালয়কে সম্পৃক্ত করা হবে।
  • PPR, 2008 মোতাবেক ফিক্সড কস্ট পদ্ধতি অনুযায়ী NGO নির্বাচন পূর্বক তাদের মাধ্যমে ছবি সহ ভিক্ষুক জরীপের কাজ বাস্তবায়ন করা হবে।
  • ভিক্ষুকদের ডাটাবেজ তৈরী ও তা যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা হবে।

 

৫. খ. ধাপ-২: পাইলট কর্মসূচিঃ

  • দেশ ব্যাপী প্রসারের পূর্বে পদ্ধতিগত কার্যকরিতা নির্ভুল করার লক্ষ্যে একাধিক জেলায় সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া পাইলট ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করা হবে।
  • ২০১০-১১ অর্থ বছরে এ পাইলট কর্মসূচি বাসত্মবায়িত হবে।
  • পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে ভিক্ষুক বেশী এমন ৪টি জেলায় পুনর্বাসন কেন্দ্র স্থাপনপূর্বক ঐ জেলার ভিক্ষুক অস্থায়ীভাবে পুনর্বাসন করা হবে।
  • জরীপে প্রাপ্ত তথ্যাবলীর আলোকে ঢাকা মহানগরীর ভাসমান এবং বিভিন্ন বসিত্মতে অবস্থানকারী ভিক্ষুকদের মধ্যে জেলা ভিত্তিক তালিকা করে ৪টি জেলার ভিক্ষুকদের স্ব স্ব জেলায় স্থানামত্মর পূর্বক অস্থায়ী পুনর্বাসন করা হবে।
  • ৮টি পুনর্বাসন কেন্দ্র স্থাপন করে প্রতিটিতে ২৫০জন করে মোট ২০০০ ভিক্ষুকের অস্থায়ী পুনর্বাসন করা হবে।
  • শিশু, ১২-৫০ বছর এবং সক্ষম প্রতিবন্ধী ভিক্ষুকদের সক্ষমতা উন্নয়নে কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।
  • এ লক্ষ্যে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা গ্রহণ ও কর্মসূচি প্রণয়ণ করবে।
  • বেসরকারী সংস্থা বা এনজিও কর্তৃক PPR, 2008 অনুসরণে Contract out এর মাধ্যমে পাইলট কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।

 

৫.গ. ধাপ-৩: কর্মসূচিঃ

  • পাইলট কর্মসূচির পরিবিক্ষণ এবং বিশ্লেষণ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক কর্মসূচির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন করা হবে।
  • পুনর্বাসন কার্যক্রমে সমাজসেবা অধিদফতরের বিদ্যমান সরকারি আশ্রয় কেন্দ্রগুলোকে ব্যবহারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
  • পাইলট কর্মসূচির মূল্যায়ন থেকে প্রাপ্ত তথ্যের আলোকে নিম্নের তিনটি Component এ ভাগ করে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।
  • গ্রামীণ ভিক্ষাবৃত্তি উচ্ছেদের জন্য কর্মপরিকল্পনার আলোকে তা বাসত্মবায়নের পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম নেয়া হবে।
  • জেলা পর্যায়ে পুনর্বাসন কেন্দ্র স্থাপনসহ কর্ম পরিকল্পনার আলোকে এ কর্মসূচি পূর্ণাঙ্গ বাসত্মবায়নের কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।
  • ঢাকা মহানগরের ভিক্ষুকদের স্ব স্ব জেলায় স্থানামত্মর পূর্বক তাদের পুনর্বাসনের কর্মপরিকল্পনার পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন করা হবে। বসিত্মতে অবস্থানকারী ভিক্ষুকদের পুনর্বাসনের নিমিত্ত বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের ঘরে ফেরা কর্মসূচির আওতায় ঋণ সুবিধা দেয়া হবে।

০৬. ভিক্ষুক নির্বাচনের মানদন্ড:

 

দারিদ্র, শারীরিক প্রতিবন্ধকতা, পুষ্টিহীনতা, অশিক্ষা, পারিবারিক কলহ- ভাংগন/ বিচ্ছিন্নতা, অভিভাবকহীনতা, নদী ভাংগন, জনসংখ্যার আধিক্য, পারিবারিক অবহেলা ও নির্যাতন ইত্যাদির কারণে সামাজিক শোষণ ও বঞ্চনার কারণে যে সকল ব্যক্তি বাঁচার তাগিদে ভিক্ষাবৃত্তিকেই তাদের পেশা হিসেবে বেছে নিতে বাধ্য হয়, তাদেরকেই ভিক্ষুক হিসেবে গণ্য করা হবে। ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত সকল বয়সী পুরুষ ও মহিলা এ কর্মসূচির অধীনে সুবিধা প্রাপ্য  হবে।

 

 

০৭. কর্মসূচির আওতায় যারা সুবিধা প্রাপ্য হবেনা:  

 

 

যে সকল ব্যক্তি সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পরিচালিত প্রতিষ্ঠান বা প্রকল্পের অধীনে সেবা ও শিক্ষা

পেয়ে আসছে, তারা এ কর্মসূচির আওতায় সেবা প্রাপ্তির অযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবে। তবে কোন প্রকল্পের কার্যক্রম

বন্ধ হলে নিরবিচ্ছিন্ন  সেবা প্রদান অব্যাহত রাখার স্বার্থে এ কর্মসূচি থেকে সেবা প্রদান করা যাবে। 

 

০৮. ভিক্ষুক বাছাই পদ্ধতি:  

 

কর্মসূচি ব্যবস্থাপনা ও বাস্তবায়ন কমিটি অনুচ্ছেদ ৫.ক ও ৬ এর মানদন্ড মোতাবেক জরীপ কার্য সম্পাদনপূর্বক একটি তালিকা অনুমোদনের নিমিত্ত জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির নিকট সুপারিশসহ প্রেরণ করবে। জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটি উক্ত তালিকা অনুমোদন করবে।

 

০৯. কর্মসূচি বাস্তবায়ন:

 

 

(ক)  সমাজসেবা অধিদফতর এর অধীনে  যুগ্ম-সচিবের নেতৃত্বে একটি সেল গঠন করা হবে। সেলের দায়িত্বে নিয়োজিত যুগ্ম-সচিবসহ প্রয়োজনীয় সংখ্যক জনবল প্রেষণে নিয়োগ করা হবে। সেল জরীপ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবে।

 

(খ) জরীপ শেষে ০৮ টি পুনর্বাসন কেন্দ্রের প্রতিটিতে ০১ জন কেন্দ্র প্রধান নিয়োজিত থাকবেন। কেন্দ্রের অন্যান্য জনবল যথা: কারিগরী প্রশিক্ষক (পুরুষ)- ০১ জন, কারিগরী প্রশিক্ষক (মহিলা)- ০১ জন, গার্ড- ০২ জন, বাবুর্চি-০২ জন তার অধীনে কাজ করবেন। কেন্দ্র প্রধান নিয়োগ না হওয়া পর্যমত্ম উপ-পরিচালক, জেলা সমাজসেবা কার্যালয় এ দায়িত্ব পালন করবেন।

 

(গ) এ সংক্রামত্ম বাজেট বরাদ্দ কর্মসূচি পরিচালক সরাসরি কর্মসূচিভূক্ত এলাকার উপ-পরিচালক, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের বরাবরে ন্যসত্ম করবেন।

 

(ঘ) উপ-পরিচালক, জেলা সমাজসেবা কার্যালয় আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তা হিসেবে এবং কেন্দ্র প্রধান স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসূচি বাসত্মবায়নে সার্বিক দায়িত্ব পালন করবেন;

 

(ঙ) পিপিএ ২০০৬ ও পিপিআর ২০০৮ অনুসারে কর্মসূচির অধীনে সকল মালামাল সংগ্রহ করা হবে। গঠিত সেল কর্মসূচির জন্য সকল জনবল নিয়োগ ও কেন্দ্র পরিচালনার প্রয়োজনীয় উপকরণ ও মালামাল সংগ্রহ করবেন।

(চ) স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসূচি বাসত্মবায়নে জেলা স্টিয়ারিং কমিটির সিদ্ধামত্ম চূড়ামত্ম বলে বিবেচিত হবে।

 

 

             

 

১০. নিয়োগ পদ্ধতি:

 

পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে প্রার্থীদের আবেদন ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য চাওয়া হবে। সমাজসেবা অধিদফতর গঠিত সেল কর্তৃক নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। নিয়োগ কমিটি লিখিত বা মৌখিক বা উভয় ধরণের পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্য ও কৃতকার্যদের তালিকা সুপারিশসহ অনুমোদনের জন্য জাতীয় ষ্টিয়ারিং কমিটি বরাবর উপস্থাপন করা হবে। তালিকা অনুমোদনের পর নিয়োগ প্রদান করা হবে।

১১. বাস্তবায়ন কাঠামোঃ

          কর্মসূচি বাসত্মবায়নের জন্য নিম্নরূপভাবে জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটি, কর্মসূচি ব্যবস্থাপনা ও বাস্তবায়ন কমিটি, ঢাকা মহানগর স্টিয়ারিং কমিটি এবং জেলা স্টিয়ারিং কমিটি গঠন করা হবে:

১১.১   জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটি:

(১)

সচিব, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়

সভাপতি

(২)

মহা-পরিচালক, সমাজসেবা অধিদপ্তর

সদস্য

(৩)

ব্যবস্থাপনা পরিচালক, জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন

সদস্য

(৪)

যুগ্ম-সচিব (উন্নয়ন), সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়

সদস্য

(৫)

অর্থ বিভাগের প্রতিনিধি

সদস্য

(৬)

স্বরাষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি

সদস্য

(৭)

স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রতিনিধি

সদস্য

(৮)

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি

সদস্য

(৯)

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি

সদস্য

(১০)

পরিকল্পনা কমিশনের প্রতিনিধি

সদস্য

(১১)

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি

সদস্য

(১২)

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান মন্ত্রণালয়ের  প্রতিনিধি

সদস্য

(১৩)

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রতিনিধি

সদস্য

(১৪)

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক মনোনীত ২জন বিশিষ্ট ব্যক্তি

সদস্য

(১৫)

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক মনোনীত ২টি এনজিওর প্রতিনিধি

সদস্য

(১৬)

সেল প্রধান (যুগ্ম-সচিব), ‘‘ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসন ও বিকল্প কর্মসংস্থান’’ শীর্ষক কর্মসূচি

সদস্য-সচিব*

*বিঃ দ্রঃ সদস্য-সচিব হিসেবে ব্যবস্থাপনা পরিচালক, জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন এর পরিবর্তে মহাপরিচালক, সমাজসেবা অধিদফতর এর প্রতিস্থাপিত হওয়ার কথা। কিন্তু সমাজসেবা অধিদফতরের মহাপরিচালক পদটি বর্তমানে অতিরিক্ত সচিব পর্যায়ের হওয়াতে তার পরিবর্তে সেল প্রধান (যুগ্ম-সচিব), ‘‘ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসন ও বিকল্প কর্মসংস্থান’’ শীর্ষক কর্মসূচি কে সদস্য-সচিব করার প্রসত্মাব করা হয়েছে।

জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির কার্য পরিধিঃ

  • জরীপ কার্য পরিবিক্ষণ ও তদারকি;
  • কর্মসূচি বাসত্মবায়নের জন্য নীতি নির্ধারণ;
  • ভিক্ষুক তালিকা অনুমোদন;
  • সমন্বয় সাধন, পরামর্শ প্রদান, পরিদর্শন, পরিবিক্ষণ এবং মূল্যায়ন;
  • বাজেট বিভাজন অনুমোদন;
  • কমিটি বছরে কমপক্ষে ৪টি সভায় মিলিত হবে।

১১.২  কর্মসূচি ব্যবস্থাপনা ও বাস্তবায়ন কমিটিঃ

 

(১)

মহা-পরিচালক, সমাজসেবা অধিদপ্তর

সভাপতি*

(২)

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি

সদস্য

(৩)

অর্থ বিভাগের প্রতিনিধি

সদস্য

(৪)

স্বরাষ্ট্র  মন্ত্রণালয়ের  প্রতিনিধি

সদস্য

(৫)

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি

সদস্য

(৬)

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের  প্রতিনিধি

সদস্য

(৭)

পরিকল্পনা কমিশনের প্রতিনিধি

সদস্য

(৮)

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর প্রতিনিধি

সদস্য

(৯)

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রতিনিধি

সদস্য

(১০)

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক মনোনীত ২টি এনজিওর প্রতিনিধি

সদস্য

(১১)

সিটি কর্পোরেশনের প্রতিনিধি

সদস্য

(১২)

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি

সদস্য

(১৩)

সেল দায়িত্বপ্রাপ্ত যুগ্ম-সচিব

সদস্য-সচিব

 

* বিঃ দ্রঃ সভাপতি হিসেবে ব্যবস্থাপনা পরিচালক, জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন এর পরিবর্তে মহাপরিচালক, সমাজসেবা অধিদফতরকে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।

 

কর্মসূচি ব্যবস্থাপনা ও বাস্তবায়ন কমিটির পরিধিঃ

 

  • কর্মসূচি বাসত্মবায়নের কর্ম পরিকল্পনা ও বাজেট প্রণয়ন এবং বাস্তবায়ন;
  • সার্বিক কার্যক্রম তত্ত্ববধান ও সমন্বয় সাধন;
  • জরীপ তথ্য সুপারিশসহ জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির নিকট প্রেরণ;
  • ঢাকা মহানগর ও জেলা স্টিয়ারিং কমিটির কার্যক্রম তদারকি ও মূল্যায়ন;
  • এ কমিটি বছরে ৬ (ছয়)টি সভায় মিলিত হবে।

 

১১.৩  ঢাকা মহানগর স্টিয়ারিং কমিটিঃ

 

(১)

যুগ্ম সচিব (উন্নয়ন) সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়

সভাপতি

(২)

জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধি

সদস্য

(৩)

ডিএমপির প্রতিনিধি

সদস্য

(৪)

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রতিনিধি

সদস্য

(৫)

ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রতিনিধি

সদস্য

(৬)

২টি এনজিওর প্রতিনিধি

সদস্য

(৭)

সুশীল সমাজের ১জন প্রতিনিধি

সদস্য

(৮)

উপ-সচিব, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়

সদস্য সচিব

ঢাকা মহানগর স্টিয়ারিং কমিটির কার্যপরিধিঃ

 

  • এ কমিটি জরীপের মাধ্যমে প্রাপ্ত পরিসংখ্যান গ্রহণ করবে;
  • তালিকাভুক্ত ভিক্ষুকদের চিহ্নিতকরণ এবং পুনর্বাসনের উদ্দেশ্যে প্রণীত তালিকা কর্মসূচি বাস্তবায়ন ও ব্যবস্থাপনা কমিটির নিকট প্রেরণ করবে;
  • পুনর্বাসনের নিমিত্ত বিভিন্ন কর্তৃপক্ষ ও সংস্থার মধ্যে সমন্বয় সাধন করবে;
  • জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটি এবং কর্মসূচি ব্যবস্থাপনা ও বাস্তবায়ন কমিটির সিদ্ধামত্মসমূহ বাস্তবায়ন করবে;
  • কর্মসূচি বাসত্মবায়নের সুবিধার্থে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সুপারিশ প্রদান করবে;
  • কমিটি প্রতি মাসে ১টি সভায় মিলিত হবে।  

 

 

১১.৪   জেলা স্টিয়ারিং কমিটিঃ

 

(১)

জেলা প্রশাসক

সভাপতি

(২)

পুলিশ সুপার

সদস্য

(৩)

সিভিল সার্জন

সদস্য

(৪)

উপজেলা নির্বাহী অফিসার

সদস্য

(৫)

জেলা পরিসংখ্যান অফিসার

সদস্য

(৬)

জেলা তথ্য অফিসার

সদস্য

(৭)

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রতিনিধি

সদস্য

(৮)

এনজিও-০২ জন প্রতিনিধি

সদস্য

(৯)

সুশীল সমাজের ১জন প্রতিনিধি

সদস্য

(৯)

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রতিনিধি

সদস্য

(১০)

উপ-পরিচালক, জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তর

সদস্য সচিব

 

জেলা স্টিয়ারিং কমিটির কার্যপরিধিঃ

  • এ কমিটি জরীপের মাধ্যমে প্রাপ্ত পরিসংখ্যান গ্রহণ করবে;
  • তালিকাভুক্ত ভিক্ষুকদের চিহ্নিতকরণ এবং পুনর্বাসনের উদ্দেশ্য প্রণীত তালিকা কর্মসূচি বাস্তবায়ন ও ব্যবস্থাপনা কমিটির নিকট প্রেরণ করবে;
  • জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির মাধ্যমে প্রাপ্ত তালিকা অনুযায়ী পুনর্বাসন কার্যক্রম বাস্তবায়ন;
  • জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটি এবং কর্মসূচি ব্যবস্থাপনা ও বাস্তবায়ন কমিটির সিদ্ধামত্ম বাস্তবায়ন;
  • জেলা স্টিয়ারিং কমিটি সংশ্লিষ্ট এলাকার ভিক্ষুক পুনর্বাসন কেন্দ্রের কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ/তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব পালন করবে;
  • কেন্দ্রে উদ্ভুত সমস্যাবলী তাৎক্ষণিক সমাধান কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

Share with :