সমাজসেবা অধিদফতর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২১st জুলাই ২০২০

এক নজরে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্প

 

একনজরে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্পের বিস্তারিত তথ্য 

 

১. প্রকল্পের নাম

“বাংলাদেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন (১ম সংশোধিত)” প্রকল্প

২. উদ্যোগী মন্ত্রণালয়/বিভাগ

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়

৩. বাস্তবায়নকারী সংস্থা

সমাজসেবা অধিদপ্তর, ঢাকা

 

৪. বাস্তবায়নকালঃ

মেয়াদকাল

অনুমোদনের তারিখ

মূল মেয়াদের তুলনায় বৃদ্ধি

সর্বশেষ অনুমোদিত মেয়াদের তুলনায় বৃদ্ধি

৪.১. মূল অনুমোদিত মেয়াদ

জুলাই, ২০১৭-জুন, ২০২০

১৯/১০/২০১৭

-

-

৪.২. ১ম সংশোধিত মেয়াদ

জুলাই, ২০১৭-জুন, ২০২২

১১/০৬/২০১৯

২ (দুই) বছর

-

 

৫. অনুমোদিত ব্যয়

মোট ব্যয় (লক্ষ টাকায়)

জিওবি

মূল অনুমোদিত ব্যয়ের তুলনায় বৃদ্ধি

সর্বশেষ অনুমোদিত ব্যয়ের তুলনায় বৃদ্ধি

৫.১. মূল অনুমোদিত ব্যয়

৪৮৫৫.৭০

৪৮৫৫.৭০

-

-

৫.২. ১ম সংশোধিত ব্যয়

৬০৬৯.৬১

৬০৬৯.৬১

২৫%

-

 

৬. প্রকল্প এলাকা

বিভাগ

জেলা

উপজেলা

-

৬.১. মূল অনুমোদিত এলাকা

৮টি

৮টি

৮২টি

-

৬.২. ১ম সংশোধিত এলাকা

৮টি

২০টি

১০২টি

-

 

 

প্রকল্পের সাধারণ উদ্দেশ্য

 

প্রকল্পের প্রধান উদ্দেশ্য

:

সাধারণ উদ্দেশ্য :প্রকল্পের সাধারণ উদ্দেশ্য হলো প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন। বিশেষত তাদের যারা আদি ক্ষুদ্র ব্যবসা/পেশায় নিয়োজিত যেমন, কামার, কুমোর, নাপিত, বাশঁ ও বেত প্রস্তুতকারক, কাঁশা/পিতল প্রস্তুতকারী এবং জুতা মেরামত/প্রস্তুতকারী।

 

 

সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্যঃ 

১। বাংলাদেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিতকরণ;

২। প্রান্তিক জনগোষ্ঠী যারা আদি ক্ষুদ্র পেশায় নিয়োজিত তাদের সঠিক সংখ্যা নিরূপন;

৩। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উপার্জনের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ প্রদান;

৪। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাজের সুযোগ সৃষ্টি ও আত্মকর্মসংস্থানের ক্ষেত্র প্রস্তুতকরণ;

৫। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দক্ষতা বৃদ্ধি ও আয়বর্ধন মূলক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত করে বেকারত্ব দূর করা;

৬। নিজস্ব পেশার টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ প্রদান করে পেশার মান উন্নয়নে একক/দল ভিত্তিক এককালীন অনুদান প্রদান করা হবে;

৭। তাদের বসবাসের উপযোগী পরিবেশ তৈরীতে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান;

৮। স্থানীয় জনপ্রশাসনকে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে সম্পৃক্তকরণ;

৯।  প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও সামাজিক সুরক্ষা;

১০। অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতার সাথে সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি করা;

১১। পিছিয়ে পড়া ক্ষুদ্র পেশাজীবি সম্প্রদায়কে উন্নয়নের মূল স্রোতধারায় সম্পৃক্তকরণ;

দেশের ৮(আট)জেলার প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মোট ৪৬১১৯ টি পরিবারের ১,৮৬,৮৪৬ জন সদস্যকে উন্নয়ন কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত করা।

 

সুনির্দিষ্ট কার্যক্রমসমূহ:

১। প্রান্তিক জনগোষ্ঠী যারা আদি ক্ষুদ্র পেশায় নিয়োজিত তাদের সঠিক সংখ্যা নিরূপন;

২। ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে উপার্জনের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ প্রদান;

৩। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাজের সুযোগ সৃষ্টি ও আত্মকর্মসংস্থানের ক্ষেত্র প্রস্তুতকরণ;

৪। তাদের আদি পেশার টেকসই উন্নয়নে আর্থিক সহায়তার জন্য এককালীন অনুদান প্রদান;

৫।  তাদের বসবাসের উপযোগী পরিবেশ তৈরীতে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান;

৬। স্থানীয় জনপ্রশাসনকে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে সম্পৃক্তকরণ।

৭। টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিতকল্পে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে উপযুক্ত দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে যথোপযুক্ত কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি;

৮। ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে কর্মক্ষম প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে চিহ্নিত করে স্ব-স্ব পেশার তালিকাভুক্ত ওস্তাদ ও  ওস্তাদের অধীন প্রতিষ্ঠানে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি হাতে কলমে (On-the-Job) প্রশিক্ষণের মধ্য দিয়ে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

৯। NTVQF-1 (National Training and Vocational Qualifications Framework) National Skills Quality Assessment System বেইজড On the Job প্রশিক্ষণ (হাতে কলমে) দেয়া হবে।

১০। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে উপযুক্ত পেশা ও আদি পেশায় নিয়োজিত করার লক্ষ্যে প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ;  

১১। উদ্যোক্তা তৈরী।

 


Share with :

Facebook Facebook