সমাজসেবা অধিদফতর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৬ এপ্রিল ২০১৫

শহর সমাজসেবা (ইউসিডি) কার্যক্রম

 

শহর সমাজসেবা (ইউসিডি) কার্যক্রম বাস্তবায়ন নীতিমালা

পটভুমি :

শহর সমাজসেবা কার্যক্রম সমাজসেবা অধিদফতর পরিচালিত একটি আদি কর্মসূচী। অধিদফতরের প্রারম্ভিক স্বল্পসংখ্যক কর্মসূচীর মধ্যে এ কর্মসূচী অন্যতম এবং শহর সমাজসেবা উন্নয়নে অত্যমত্ম গুরম্নত্বপূর্ণ বলে পরিগণিত।

 

শহরের বসিত্ম এলাকায় বসবাসরত জীবিকার সন্ধানে বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত দরিদ্র ও স্বল্প আয়ের ভাসমান পরিবারের সদস্যদের সংগঠিত করে পারস্পরিক সাহায্য-সহযোগিতার মাধ্যমে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নকল্পে বাসত্মবধর্মী কার্যক্রম গ্রহণে উদ্বুদ্ধ ও সহযোগিতা করা এ প্রকল্পের লÿ্য। জীবিকার সন্ধানে আগত ছিন্নমূল এ জনগোষ্ঠি শহরের বিভিন্ন স্থানে, আনাচে কানাচে, ড্রেনের পার্শ্বে, পরিত্যক্ত অস্বাস্থ্যকর ডোবা বা জলাভুমির ধারে জীর্ণ কুটির তৈরী করে গড়ে তুলেছে অবাঞ্ছিত বসিত্ম। নোংরা পরিবেশ, জীবনের মৌলিক চাহিদা পূরণের ব্যর্থতার দরম্নণ অপুষ্টি ও স্বাস্থ্যহীনতা, বেকারত্ব, ভিক্ষাবৃত্তি ইত্যাদি সমস্যায় শহর জীবন আজ বিপর্যসত্ম। তাই সুপরিকল্পিতবাবে শহর এলাকায় বসবাসরত এই জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়ন করে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার সহযোগিতায় শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সংস্কৃতি, পুষ্টি, পরিবার পরিকল্পনা ইত্যাদি ক্ষেত্রে প্রাপ্য সীমিত সম্পদের মাধ্যমে সমস্যাবলীর সম্ভাব্য সমাধান করে জনজীবনে স্বসিত্ম বিধান ও দুঃস্থ জন্য জীবন মানোন্নয়ন যোগ্য কর্মসূচী গ্রহণ করা এ প্রকল্পের উদ্দেশ্য। এ লÿ্য বাসত্মবায়নের উদ্দেশ্যে জাতিসংঘ থেকে প্রেরিত বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী সরকার ১৯৫৫ সালে Dhaka Urban Community Development Board গঠন করে। এ বোর্ডের কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে ঢাকার কায়েতটুলিতে ১৯৫৫ সালে পরীক্ষামূলকভাবে শহর সমাজ উন্নয়ন প্রকল্প (Urban Community Development Project (UCDP) চালু করা হয়। একই সালে এ প্রকল্পের সফলতা তদানীমত্মন সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এবং প্রকল্পটি পাঁচশালা পরিকল্পনার অমত্মর্ভূক্ত হয় এবং এর আওতায় ঢাকা শহরের গোপীবাগ, লালবাগ ও মোহাম্মদপুর এলাকায় এ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হয়। ১৯৬০ সালে বাংলাদেশের বিভিন্ন শহরে আরও ১২টি প্রকল্প চালু হয় এবং প্রকল্পের সংখ্যা দাড়ায় ১৬টি। ১৯৬১ সালে সমাজকল্যাণ পরিদপ্তর প্রতিষ্ঠার পর এই প্রকল্পের ক্রমবর্ধমান সফলতা এবং প্রসার অব্যাহত থাকে। শহর এলাকায় বসবাসরত দরিদ্র জনগোষ্ঠির চাহিদার প্রেক্ষিতে পর্যায়ক্রমে জুন’৯৬ পর্যমত্ম এ কার্যক্রমকে ৪৩টি ইউনিটে উন্নীত করা হয়। ক্রমবর্ধমান চাহিদার প্রেক্ষিতে জুলাই’৯৬ সালে ‘‘শহর সমাজসেবা কর্মসূচীর উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ-১ম পর্ব’’ নামে উন্নয়ন কাতে আরও ৭টি শহর সমাজসেবা কার্যক্রম ইউনিট প্রতিষ্ঠা করে এ কর্মসূচীর মোট ইউনিটের সংখ্যা ৫০টিতে উন্নীত করা হয়।

 

দেশের ৩৪টি জেলা সদরে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়। এ কার্যক্রমের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে দেশের অবশিষ্ট ৩০ জেলা সদর এলাকার লÿ্যভুক্ত জনগোষ্ঠির উন্নয়নকল্পে ২০০২-২০০৫ অর্থ বছরে ‘‘শহর সমাজসেবা কর্মসূচীর উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ-২য় পর্ব’’ শীর্ষক আরো একটি উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে যার আওতায় ৩০টি নতুন জেলায় আরো ৩০টি ইউনিট স্থাপন করা হয়েছে, যার ফলে বাংলাদেশের সকল জেলা এ কার্যক্রমের আওতাভুক্ত হয়েছে (কর্মসূচীর অবস্থানসহ তালিকা পরিশিষ্ট-‘ক’ দ্রষ্টব্য)।

 

 

২.০. কার্যক্রমের লÿ্য ও উদ্দেশ্য :

  1. শহর এলাকায় বসবাসরত স্বল্প আয়ের দরিদ্র জনগোষ্ঠির আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে পরিবারের সদস্যদের সংগঠিত করণ;
  2. আত্ম-কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে লক্ষ্যভুক্ত জনগোষ্ঠির দক্ষতা বৃদ্ধি;
  3. দরিদ্র জনগণের আয় বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানের জন্য ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম গ্রহণ;
  4. সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে নিয়োজিত বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকে সহায়তা প্রদান।

 

৩.০. কার্যক্রমঃ

৩.১.   লÿ্যভুক্ত দরিদ্র জনগোষ্ঠির দারিদ্র বিমোচনের লক্ষে্য আত্ম-কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির জন্য উৎপাদনশীল ও আয়বর্ধক কাজে প্রশিÿণের ব্যবস্থা করা;

৩.২.   লÿ্যভুক্ত জনগোষ্ঠি এবং প্রশিÿণপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের স্ব-কর্ম সংস্থান ও পারিবারিক আয় বৃদ্ধির লক্ষে্য ÿুদ্র ঋণ (Micro-Credit) কর্মসুচী পরিচালনা;

৩.৩. লÿ্যভুক্ত জনগোষ্ঠিকে সংগঠিত করে দলীয় কার্যক্রমের মাধ্যমে পরিস্কার পরিচছন্নতা, বিশুদ্ধ পানি ব্যবহার, জলাবদ্ধ পায়খানা ব্যবহার, প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিচর্যা, শিশু প্রযত্ন, পরিবার পরিকল্পনা গ্রহণ, পুষ্টি, পরিবেশ উন্নয়ন, বৃÿরোপন, হাতে স্যালাইন তৈরি ইত্যাদি বিষয়ে উদ্বুদ্ধকরণ এবং কর্মসূচী যথাযথভাবে বাসত্মবায়নে সহযোগিতা প্রদান;

৩.৪.   স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সৃষ্টি, উন্নয়ন, তদারকি ও সমাজকল্যাণমূলক কাজে তাদের অংশগ্রহণে সহায়তা ও পরামর্শ প্রদান;

৩.৫.   সামাজিক উন্নয়ন কর্মকান্ডে নিয়োজিত বিভিন্ন সংগঠনের কর্মকর্তাদের নেতৃত্ব বিকাশ ও কর্মসূচী পরিচালনায় পরামর্শ ও প্রশিÿণ প্রদান;

৩.৬   প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা কর্মসূচী গ্রহণ ও বাস্তবায়ন এবং এ কাজে নিয়েঅজিত অন্যান্য সংস্থাকে সহযোগিতা প্রদান;

৩.৭    এসিডদগ্ধ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে ÿতিগ্রসত্ম ব্যক্তিদের আর্থ-সামাজিক পুনর্বাসনমূলক কাজে সক্রিয় সহায়তা 

          প্রদান;

৩.৮   শিশু অধিকার, নারীর ÿমতায়ন, কিশোর সংশোধন ও কমিউনিটি এমপাওয়ারমেন্ট প্রোগ্রাম ইত্যাদি বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি;

৩.৯.   সামাজিক গবেষণা ও জরীপ কাজ পরিচালনা;

৩.১০.         সামাজিক উন্নয়ন ও জাতিগঠনমূলক কাজে নিয়োজিত বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংগঠন/সংস্থার উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনায় সহযোগিতা প্রদান এবং সমন্বয় সাধন।

 

৪.০. কর্মসূচী পরিচালনাঃ

          ৪.১. সরকারি পর্যায়ে পরিচালিত কার্যক্রমঃ

        সরকারি পর্যায়ে তথা সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় পরিচালিত শহর সমাজসেবা কার্যক্রমের রূপরেখা নিমণরূপঃ

ক. দারিদ্র বিমোচন এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ÿুদ্রঋণ (Micro-Credit) কর্মসূচী পরিচালনা;

খ. উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থা সৃষ্টি, উন্নয়ন, নিয়ন্ত্রণ, তদারকি ও সমন্বয় সাধন;

গ. শহর এলাকার বিষেশতঃ দরিদ্র জনগোষ্ঠি অধ্যুষিত এলাকার উন্নয়ন কর্মকান্ডে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাসমূহের বিভিন্নমুখী উন্নয়ন কর্মপ্রয়াসের সাথে সম্পৃক্ততা ও সহযোগিতা প্রদান;

ঘ. প্রুাকৃতিক দুর্যোগ বা আপতকালীন দায়িত্ব পালন;

ঙ. উদ্ভুত সামাজিক সমস্যা মোকাবেলা কার্যক্রম পরিচালনা;

চ. সামাজিক জরীপ ও গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা।

       

          ৪.২. বেসরকারি পর্যায়ে পরিচালিত কার্যক্রমঃ

ক. বেসরকারি পর্যায়ে স্থানীয় সমাজকল্যাণ সংস্থার প্রতিনিধি/সমাজকর্মীদের অমত্মভহক্ত করে একটি সমন্বয় পরিষদ (Co-ordination Council) গঠনপূর্বক স্থানীয় সম্পদ আহরণসহ জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদ ও অন্যান্য উৎস হতে প্রাপ্ত অর্থের মাধ্যমে এলাকার আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও মানব সম্পদ উন্নয়মূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা;

খ. এলাকায় কর্মরত সকল স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থা কর্তৃক পরিচালিত উন্নয়ন কর্মকান্ডের সমন্বয় সাধেনে অগ্রণী ভুমিকা পালন;

গ. শহর সমাজ উন্নয়নের লক্ষে্য সরকারি পর্যায়ে পরিচালিত সকল কার্যক্রম বাসত্মবায়নে সহযোগিতা প্রদান।

 

৫.০. কার্যক্রম বাস্তবায়ন ও ব্যবস্থাপনাঃ

৫.১. প্রতিটি শহর সমাজসেবা কার্যক্রমে ১জন সমাজসেবা কর্মকর্তা এবং ৭ জন কর্মচারী দায়িত্ব পালন করবেন। প্রতিটি শহর সমাজসেবা কার্যক্রমে সমনবয় পরিষদ কর্তৃক গৃহিত প্রশিÿণ ও শিক্ষা কর্মসূচী পরিচালনার জন্য নিয়োজিত কর্মচারীগণ সমাজসেবা কর্মকর্তার সরাসরি তত্ত্বাবধানে কাজ করবেন।

 

 

৫.২. সমন্বয় পরিষদঃ শহর সমাজসেবা কার্যক্রমের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও এর কর্মসূচী উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারী উদ্যোগকে সম্পৃক্ত করে প্রতিটি শহর সমাজসেবা কার্যক্রমের সাথে ’’ সমন্বয় পরিষদ’’ কাজ করবে। উক্ত সমন্বয় পরিষদ একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা হিসেবে সমাজসেবা অধিদফতরের আওতায় নিবন্ধনকৃত হবে। সমন্বয় পরিষদের আদর্শ, উদ্দেশ্য, পরিচালনা সংক্রামত্ম নীতিমালা, গঠনতন্ত্রের কাঠামো এবং অন্যান্য প্রাসংগিক বিষয় সমবলিতজ একটি অনুমোদিত গঠনতন্ত্র থাকবে। এতদসংক্রামত্ম গঠনতন্ত্রের নমুনা পরিশিষ্ট- ’ খ’ দ্রষ্টব্য।

 

 

৫.৩.  সমন্বয় পরিষদের ২(দুই) টি কাঠামো থাকবে, যথাঃ

 

(ক) সাধারণ পরিষদ।

 

(খ) কার্যনির্বাহী পরিষদ।

 

৫.৩.১.        সাধারণ পরিষদের গঠনঃ

 

(ক)  সাধারণ পরিষদের সদস্যদের গোপন ভোট/সংখ্যাগরিষ্ঠের হসত্ম উত্তোলনের মাধ্যমে কার্যনির্বাহী পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হবেন এবং সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি নির্বাচিত সভাপতি হিসেবে বিভিন্ন সভায় সভাপতিত্ব করবেন। প্রতি ৩ বছর অমত্মর এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

 

(খ)  শহর সমাজসেবা কার্যক্রম এলাকায় কর্মরত ও সমাজসেবা অধিদফতরের সাথে নিবন্ধীকৃত প্রতিটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কর্তৃক ৫০০/-(পাঁচশত) টাকা প্রদানপূর্বক সমন্বয় পরিষদের সাথে তালিকাভুক্তির (Affiliated) পর প্রতিটি সংগঠনের ২ জন প্রতিনিধি সাধারণ পরিষদের সদস্য হবেন। প্রতিনিধিগণ সংশ্লিষ্ট সংগঠন কর্তৃক মনোনীত হবেন।

 

( গ)   শহর সমাজসেবা কার্যালয়, এলাকাভুক্ত বিশিষ্ট সমাজকর্মীগণ এককালীন ১০০০০/(দশ হাজার) টাকা চাঁদা প্রদান করে সমন্বয় পরিষদের আজীবন সদস্যপদ লাঠ করতে পারবেন।

 

৫.৩.২         সাধারণ পরিষদের কর্মপরিধিঃ

 

        ১. সাধারণ পরিষদের সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত সভপতি সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

 

        ২. সাধারণ পরিষদ সমন্বয় পরিষদের সর্মময় ক্ষমতার অধিকারী হবে।

       

৩. সাধারণ পরিষদ সমন্বয় পরিষদের নীতি নির্ধারণী ভূমিকা পালন করবে।

       

 

 

৪.  সাধারণ পরিষদের নিকট কার্যনির্বাহী পরিষদকে জবাবদিদি করতে হবে

৫.  প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক কর্মসূচী গ্রহণ, বার্ষিক বাজেট অনুমোদন, বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব পরিবীক্ষণ ও বার্ষিক

     প্রতিবেদন অনুমোদন

 

        ৬.  কার্যকরী কমিটি গঠনের নিমিত্তে নির্বাচনের ব্যবস্থা গ্রহণ

 

        ৭.  নির্বাচনের নিমিত্তে প্রয়োজনে নির্বাচন কমিশন গঠণ

 

        ৮. সাধারণ পরিষদের সিদ্ধামত্ম সমন্বয় পরিষদের চূড়ামত্ম সিদ্ধামত্ম বলে গণ্য হবে

 

৫.৩.৩ কার্যনির্বাহী পরিষদঃ

 

সমন্বয় পরিষদের অনুমোদিত গঠণতন্ত্রের আলোকে সাধারণ সদস্যদের গোপন ভোটের মাধ্যমে অথবা সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সম্মতিমূলক হসত্ম উত্তোলনের মাধ্যমে ০৯ জন সদস্য, সরকার কর্তৃক মনোনীত ০৫ জন নির্বাহী সদস্য এবং পদাধিকারবলে সমাজসেবা অফিসার সাধারণ সম্পাদকের সমন্বয়ে মোট ১৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠিত হবে। উল্লেখ্য, সাধারণ পরিষদের সভাপতি সাধারণ এবং কার্যনির্বাহী উভয় কমিটিরও সভাপতি হবেন। এ পরিষদ ৩ (তিন) বছর মেয়াদে নির্বাচিত হবে।

 

কার্যনির্বাহী পরিষদের কাঠামোঃ  প্রতিটি শহর সমাজসেবা কার্যক্রমের আওতাধীন সমন্বয় পরিষদের ১৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি কার্যনির্বাহী কমিটি থাকবে যার কাঠামো নিমণরূপঃ

 

        (১)    সভাপতি                                                                           -  ১ জন

        (২)    সহ- সভাপতি                                                              -  ২ জন

        (৩)    সাধারণ সম্পাদক (শহর সমাজসেবা কর্মকর্তা পদাধিকার বলে)                 -  ১ জন

        (৪)    যুগ্ম সম্পাদক                                                               -  ১ জন

        (৫)    সাংগঠনিক সম্পাদক                                                         -  ১ জন

        (৬)    কোষাধ্যক্ষ                                                                   -  ১ জন

        (৭)    প্রচার ও গণসংযোগ সম্পাদক                                                      -  ১ জন

        (৮)    সাহিত্য সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সম্পাদক                                                -  ১ জন

        (৯)    পৌরসভা/মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান কর্তৃক মনোনীত সদস্য      -  ১ জন

        (১০)   নির্বাহী সদস্য (সরকার কর্তৃক মনোনীত)                                          -  ৫ জন

                                                                                                    মোট    - ১৫ জন

 

 

কর্মপরিধিঃ

  1. শহর সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রমের বিভিন্ন কর্মসূচী পরিচালনায় পরামর্শ প্রদান
  2. বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা উত্তরণে প্রয়োজনীয় কর্মসূচী বাস্তবায়ন
  3. সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগের মধ্যে সমন্বয় সাধন
  4. সংস্থার বিভিন্ন কার্যক্রমের আর্থিক বিষয়াদি নিরুপণ, বাজেট প্রণয়ন এবং তার বাস্তবায়ন
  5. সম্পদ আহরণ ও তার সুষ্ঠু ব্যবহার নি--তকরণ
  6. স্থানীয় চাহিদার ভিত্তিতে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন
  7. প্রতি ৩ মাস অমত্মর সভা অনুষ্ঠান।

 

৫.৩.৪. সমন্বয় পরিষদের তহবিলঃ সদস্যদের চাঁদা, প্রশিক্ষণ কর্মসূচী থেকে প্রাপ্ত আয়, বাংলাদেশ জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদ থেকে প্রাপ্ত এককালীন অনুদান, স্থানীয় বিভিন্ন সংস্থার অনুদান এবং দাতা সংস্থা প্রদত্ত অর্থ সংগ্রহের মাধ্যমে এ পরিষদের তহবিল গঠন করা যেতে পারে। এ তহবিল প্রচলিত বিধি বিধান ও পরিষদের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী যথাযথভাবে সংরক্ষিত ও ব্যবহার হবে।

 

৬.০.  কর্ম এলাকা নির্বাচনঃ

সংশিস্নষ্ট সমাজসেবা কর্মকর্তা সরকারের নির্দেশ মোতাবেক এবং সমন্বয় পরিষদের সুপারিশের ভিত্তিতে কর্ম এলাকা নির্বাচন করে বিভিন্ন কর্মসূচী পরিচালনা করবেন।

 

৭.০. ÿুদ্রঋণ (Micro-Credit) কর্মসূচী পরিচালনাঃ

দেশের বর্তমান প্রেÿাপটে অনুন্নত ও দরিদ্র জনগোষ্ঠির আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের লক্ষে্য সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সমাজসেবা অধিদফতরের শহর সমাজসেবা কার্যক্রমের আওতায় ÿুদ্রঋণ কর্মসূচী চালু করেছে। শহর এলাকায় বসবাসরত দরিদ্র ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠির আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের লক্ষে্য ঘূর্ণায়মান তহবিল হিসেবে ÿুদ্রঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। এ কার্যক্রমের বিভিন্ন দিক ও পরিচালনাগত নির্দেশনা নিমেণ প্রদত্ত হ’লঃ

 

৭.১. পরিবার নির্বাচনঃ

৭.১.১. সংশিস্নষ্ট সমাজসেবা কর্মকর্তা, পৌর সমাজকর্মী ও এলাকাস্থ নিবন্ধীকৃত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যদের সহায়তায় পরিবারসমূহ জরীপ করবেন(জরীপ ফরম এর নমুনা-পরিশিষ্ট-গ)

৭.১.২ জরীপের মাধ্যম প্রাপ্ত মাথাপিছু বার্ষিক আয়ের উপর ভিত্তি করে পরিবার সমূহকে ‘ক’ ‘খ’ ও ‘গ’ শ্রেণীতে চিহ্নিত করা হবে এবং অগ্রাধিকার তালিকা প্রণয়নপূর্বক (Priority List) ঋণ গ্রহিতা নির্বাচন করা হবে।

১ ) বার্ষিক মাথাপিছু গড় আয় ৩৬,০০০/- পর্যমত্ম ‘ক’ শ্রেণী (দরিদ্রতম)।

২) বার্ষিক মাথাপিছু গড় আয় ৩৬,০০১/- টাকা থেকে ৫০,০০০/- পর্যমত্ম ‘খ’ শ্রেণী।

৩) বার্ষিক মাথাপিছু গড় আয় ৫০,০০০/- টাকার উর্দ্ধে ‘গ’ শ্রেণী।

 

৭.২. কর্মদল গঠনঃ

৭.২.১. জরীপের মাধ্যম প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এলাকার লÿ্যভুক্ত ‘ক’ ও ‘খ’ শ্রেণী ভুক্ত পরিবারগুলোকে সাংগঠনিকভাবে এ কার্যক্রমের আওতায় আনয়নের জন্য ১০ থেকে ১৫ জন সদস্য বিশিষ্ট কর্মদল গঠন;

৭.২.২. প্রতিটি কর্মদলের সদস্যগণের ঐক্যমতের ভিত্তিতে একজন দলনেতা/নেত্রী নির্বাচন/মনোনয়ন প্রদান;

৭.২.৩. একজন দলনেতা/নেত্রী ২ (দুই) বছরের জন্য নির্বাচিত/মনোনীত করণ;

৭.২.৪. প্রতিটি লÿ্যভুক্ত পবিরার হতে পুরম্নষ ও মহিলা সমন্বয়ে দল গঠন;

৭.২.৫. প্রয়োজনে পুরম্নষ ও মহিলাদের পৃতক দল গঠন;

৭.২.৬. ‘গ’ শ্রেণীভুক্ত পরিবারগুলোকে ÿুদ্রঋণ ব্যতিত অন্যান্য সামাজিক কার্যক্রমে উদ্বুদ্ধকরণ।

 

৭.৩. কর্মদলের ভুমিকাঃ

৭.৩.১. লÿ্যভুক্ত পরিবার সমূহকে সাংগঠনিক তৎপরতার মাধ্যমে তাদের সমস্যা চিহ্নিতকরণসহ তা সমাদানের পদ্ধতি, দায়িত্ব ও কর্তব্য ইত্যাদি বিষয়ে সচেতন করে দায়িত্বশীল পরিবার প্রধান/সদস্য হিসেবে গড়ে তোলা;

৭.৩.২. দলীয় কর্মকান্ডের মাধ্যমে লÿ্যভুক্ত পরিবারগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি ও আত্ম-সচেতনতা সৃষ্টি;

৭.৩.৩. দরীয় কর্মকান্ডের মাধ্যমে দলকে সুসংগঠিত করা, সদস্যদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি এবং নতুন নেতৃত্ব বিকাশে সহায়তা করা;

৭.৩.৪. অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সদস্যদের মধ্য হতে প্রাথমিকভাবে আর্থ-সামাজিক স্কীম গ্রহিতা নির্বাচনে পৌর সমাজকর্মীকে পরামর্শ প্রদান;

৭.৩.৫. স্কী বাস্তবায়ন, সঞ্চয় ও ঋণ পরিশোধের নিয়মাবলী সম্পর্কে সদস্যদের অবহিতকরণ ও উদ্বুদ্ধকরণ।

৭.৪. দল পরিচালনার নিয়মাবলীঃ

৭.৪.১. নির্দিষ্ট তারিখে পাক্ষেক/মাসিক সভা আহবান ও অনুষ্ঠান;

৭.৪.২. সভার সিদ্ধামত্মসমূহ যথারীতি লিপিবদ্ধ করা (সংশিস্নষ্ট পৌর সমাজকর্মী কর্তৃক প্রাথমিকবাবে দলীয় সভায় উপস্থিত থেকে আলোচনার বিষয়বস্ত্ত নির্বাচন, সভা পরিচালনা ও সিদ্ধামত্ম গ্রহণে সহায়তা এবং প্রয়োজনীয় বিষয়াদি লিপিবদ্ধ করণে দলনেতা/নেত্রীকে সহযোগিতা);

৭.৪.৩. নির্ধারিত বিষয়বস্ত্ত ছাড়াও প্রাসংগিক ও প্রয়োজনীয় বিষয়াদি দলীয় সভায় আলোচনায় অমত্মর্ভূক্তির সুযোগ সৃষ্টি।

 

৭.৫. দলনেতা/দলনেত্রীর ভুমিকাঃ

৭.৫.১.        দলনেতা/দলনেত্রী নিয়মিত পাক্ষেক/মাসিক সভা আহবান করবেন;

৭.৫.২.        সভার সিদ্ধামত্মসমূহ যথারীতি লিপিবদ্ধ করবেন;

৭.৫.৩.        দলীয় সদস্যদের সমস্যাদিসহ সকল বিষয়ে আলোচনার সুযোগ সৃষ্টি করবেন;

৭.৫.৪.        দলীয় সদস্যদের মাসিক কিসিত্ম ও সঞ্চয় আদায় করবেন এবং তা সংশিস্নষ্ট ব্যাংক হিসাবে জমা প্রদানে দায়িত্বপ্রাপ্ত পৌর সমাজকর্মীকে সহায়তা করবেন;

৭.৫.৫.        দলীয় সদস্যদের স্কীম বাসত্মবায়নে প্রয়োজনে পরামর্শ ও তদারকি করবনে;

৭.৫.৬.        পৌর সমাজকর্মী ও সমাজসেবা কর্মকর্তার সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রÿা করবেন ও সদস্যদের সমস্যাদি সম্পর্কে তাকে অবহিত করবেন;

৭.৫.৭.        সমাজসেবা অধিদফতরের কর্মকর্তা/কর্মচারীদের পরিদর্শন সংক্রামত্ম মতামত/মমত্মব্য লিপিবদ্ধ করার সুবিধার্থে একটি রেজিস্টার সংরÿণ করবেন।

 

৭.৬. দলীয় সভার আলোচ্য বিষয়ঃ

৭.৬.১. দলীয় সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির গুরম্নত্ব ও প্রয়োজনীয়তা;

৭.৬.২. সঞ্চয়ের মনোভাব সৃষ্টির লক্ষে্য দলীয় সঞ্চয়ের গুরম্নত্ব ও প্রয়োজনীয়তা;

৭.৬.৩. পারিবারিক ও ব্যক্তিগত সমস্যাদি সমাধানে দলের ভুমিকা;

৭.৬.৪. পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা ও প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিচর্যা;

৭.৬.৫. বিশুদ্ধ পানি পানের গুরম্নত্ব ও প্রয়োজনীয়তা;

৭.৬.৬. জলাবদ্ধ পায়খানা ব্যবহারের গুরম্নত্ব ও প্রয়োজনীয়তা;

৭.৬.৭. পরিবার পরিকল্পনা গ্রহণ ও ছোট পরিবারের গুরম্নত্ব ও প্রয়োজনীয়তা;

৭.৬.৮. শিশু পরিচর্যা ও গর্ভবতী মায়ের যত্ন;

৭.৬.৯. স্যালাইন তৈরি;

৭.৬.১০. পতিত জমি আবাদের মাধ্যমে পারিবারিক পুষ্টির চাহিদা পূরণ;

৭.৬.১১. শিশুদের টিকা প্রদান;

৭.৬.১২. স্বাÿর জ্ঞানে উদ্বুদ্ধকরণ;

৭.৬.১৩. আত্ম-সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে নেতৃত্ব বিকাশে সহায়তা;

৭.৬.১৪. সরকারের বিভিন্ন সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ স্থাপন;

৭.৬.১৫. পরিবেশ রÿায় সামাজিক বনায়নের ভুমিকা;

৭.৬.১৬. বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা নিয়ে আলোচনা এবং চিহ্নিতকরণ;

৭.৬.১৭. প্রতিবন্ধীদের সামাজিক ও আর্থিক সহায়তা প্রদান।

 

৭.৭. ঋণদান কর্মসূচী বাস্তবায়ন পদ্ধতিঃ

দলীয় সভায় গৃহিত সিদ্ধামেত্মর ভিত্তিতে দলনেতা/নেত্রীর সুপারিশক্রমে ঋণ গ্রহীতাদের তালিকা দলনেতার মতামতসহ পৌর সমাজকর্মীর নিকট জমা দিতে হবে। পৌর সমাজকর্মী পরিবার সমূহ পরিদর্শনের মাধ্যমে মাতমতসহ সমাজসেবা কর্মকর্তার নিকট তা পেশ করবেন। সমাজসেবা কর্মকর্তা স্কীম সমূহ পর্যালোচনা এবং ক্ষেত্র বিশেষ সরেজমিনে এলাকা/বসিত্ম পরিদর্শনপূর্বক প্রাথমিকবাবে অনুমোদন করবেন এবং সুপারিশসহ চহড়ামত্ম অনুমোদনের জন্য ÿুদ্র ঋণ কর্মসূচী বাস্তবায়ন কমিটির (Programme Implementation Committee) নিকট পেশ করবেন (আবেদনপত্র ও স্কীমের নমুনা ছক সংযুক্ত পরিশিষ্ট-ঘ)।

 

৭.৮.       ÿুদ্রঋণ কর্মসূচী বাস্তবায়ন কমিটি :

                সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়ন, পরিচালনায় সহযোগিতা ও পরামর্শ প্রদান এবং তদারকির জন্য প্রতিটি কর্মএলাকাতে ৭ (সাত) সদস্য বিশিষ্ট একটি বাস্তবায়ন কমিটি থাকবে। এ কমিটির কাঠামো নিমণরূপঃ

 

কমিটিঃ

  1. উপ-পরিচালক, জেলা সমাজসেবা কার্যালয় (পদাধিকার বলে)-                  সভাপতি
  2. সভাপতি, প্রকল্প সমন্বয় পরিষদ (পদাধিকার বলে)-                              সহ-সভাপতি
  3. সমাজসেবা কর্মকর্তা, শহর সমাজসেবা কার্যক্রম (পদাধিকার বলে)-          সদস্য সচিব
  4. সংশিস্নষ্ট পৌর এলাকার পৌর কমিশনারের প্রতিনিধি-                           সদস্য
  5. বিশিষ্ট সমাজকর্মী (সরাসরি সভাপতি কর্তৃক মনোনীত)-                                 সদস্য
  6. বিশিষ্ট মহিলা সমাজকর্মী (সরাসরি সভাপতি কর্তৃক মনোনীত)-                         সদস্য
  7. সংশিস্নষ্ট এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত পৌর সমাজকর্মী (পদাধিকার বলে)-                      সদস্য

 

১০

কর্মপরিধিঃ

  1. কমিটি ৩ মাস অমত্মর সবায় মিলিত হয়ে কর্মসূচীর সার্বিক বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনাপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সমাজসেবা কর্মকর্তাকে পরামর্শ প্রদান করবে;
  2. ঋণ গ্রহিতাদের আবেদনপত্রসমূহ পরীক্ষাপূর্বক ঋণ প্রদান সংক্রামত্ম বিষয়ে অনুমোদন প্রদান করবে;
  3. কমিটি ঘূর্ণায়মান তহবিল বিনিয়োগ এবং আদায় সংক্রামত্ম পরিস্থিতি পর্যালোচনা করবে এবং উদ্ভুত সমস্যাবলী নিরসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে;
  4. কমিটির সদস্যগণ যৌথভাবে কিংবা এককভাবে কর্ম এলাকা পরিদর্শন পূর্বক কর্মসূচী সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার ব্যাপারে সমাজসেবা কর্মকর্তা, কর্মী ও দলনেতা/নেত্রীর প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করবে;
  5. সভার কোরাম এর জন্য কমপক্ষে ৪ জন সদস্যের উপস্থিতির প্রয়োজন হবে।

 

৭.৯. ঋণ প্রাপ্যতার শর্তাবলীঃ

৭.৯.১. ঋণ গ্রহিতাকে দলীয় সদস্য হতে হবে;

৭.৯.২. ঋণ গ্রহিতাকে অবশ্যই ‘ক’ শ্রেণীভুক্ত হতে হবে;

৭.৯.৩. ঋণ গ্রহিতাকে দলীয় সভায় নিয়মিত উপস্থিত থাকতে হবে;

৭.৯.৪. ঋণ গ্রহিতাকে দলের করণীয় কার্যাবলী সম্পাদন করতে হবে;

৭.৯.৫. ঋণ গ্রহিতাকে নিয়মিতমাসিক সঞ্চয় করতে হবে;

৭.৯.৬. মহিলা ও প্রতিবন্ধীদের ঋণ প্রদানের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেয়া হবে।

 

৭.১০. স্কীম নির্বাচনঃ

৭.১০.১. দলীয় সভায় আলোচনার মাধ্যমে সম্ভাব্য ঋণ গ্রহিতাগণ তাদের বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা ও সম্ভাব্যতার নিরীখে আয়বর্ধকমূলক কাজের স্কীম নির্বাচন করবেন;

৭.১.২. যথোপযুক্ত স্কীম গ্রহণে দলনেতা/দলনেত্রী ও সংশিস্নষ্ট পৌর সমাজকর্মী ঋণ গ্রহিতাকে পরামর্শ প্রদান করবেন;

৭.১০.৩. স্কীম নির্বাচনকালে প্রয়োজনে সংশিস্নষ্ট অন্যান্য সরকারি দপ্তর/অধিদপ্তরের পরামর্শ নেয়া যেতে পারে। অনুরূপ ক্ষেত্রে পৌর সমাজকর্মী সম্ভাব্য ঋণ গ্রহিতা ও সংশিস্নষ্ট দপ্তর ও অধিদপ্তরের সাথে যোগাযোগ স্থাপনে সহায়তা করবেন।

৭.১১. স্কীম বাসত্মবায়নে বিনিয়োগযোগ্য পুঁজির পরিমাণঃ

৭.১১.১ একজন ঋণ গ্রহিতা প্রয়োজনে সর্বোচ্চ ৩ বার ঋণ গ্রহণ করতে পারবেন;


Share with :
Facebook Facebook